

Menu



পাহাড়ের কোলে চা বাগানের আশপাশের ওই ভাঙাচোরা ঘরগুলো থেকে মেয়েরা উধাও হয়ে যায়। কেউ বলে কাজে যায়, কেউ বলে বিয়ে করে পালিয়ে যায়, কেউ বলে হারিয়ে যায়। তারা আসলে কোথায় যায়? খোঁজ নিয়েছিলেন পাহাড়ের সাহসী মেয়ে রঙ্গু সোউরিয়া। পুনে দিল্লি মুম্বাই-এর নিষিদ্ধ পল্লীতে ঢুকে পড়ে ফিরিয়ে এনেছেন তাদের আবার। তারপর? কেউ ফিরে পেয়েছে ফেলে যাওয়া সংসার, কেউ পেয়েছে অন্ধকার লাশ কাটা ঘরে ডেডবডির স্তুপের মাঝের জায়গাখানা। এসব নিয়েই এ বই, 'পাহাড় থেকে মেয়ে পাচার: রঙ্গু সোউরিয়ার রেসকিউ অপারেশন'
মঞ্জীরার জন্ম ১৯৭৯ সালে। ২০০২ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এডুকেশনে মাস্টার ডিগ্রী করার পর শহরের নানা পথে হাঁটতে হাঁটতে নানা মানুষের সঙ্গে আলাপ, সঙ্গে ফটোগ্রাফি। কলকাতার বেশ কিছু আর্ট গ্যালারিতে ফটোগ্রাফি ইনস্টলেশন-এর শো। ২০০৯-এ পশ্চিমবঙ্গের সীমান্ত এলাকাতে শিক্ষকতা করতে যাওয়া। সীমান্তজীবনকে খুব কাছ থেকে দেখা। তখন থেকেই শহর কোলকাতার বাইরে লোকাল ট্রেনে, বাজারে, নদী ভাঙনের পাশে গজিয়ে ওঠা পাড়ায়, অলিতে গলিতে, নদীর চড়ে, গোঁজাতালি দিয়ে বানানো ঘরের ভেতরের মানুষগুলোর সঙ্গে কথা বলা শুরু। সেই কথাগুলোই হয়ে ওঠে মঞ্জীরার আখ্যান। এ রাজ্যের প্রান্তিক মানুষের যাপনই হয়ে ওঠে লেখার বিষয়। ২০১৭-তে প্রথম বই ‘বর্ডারে মেয়েরা’। ‘ছোটদের বর্ডার’, ‘বর্ডারের প্রেম’, ‘লেবার ট্রেন’, ‘আহ্লাদীর ছেলের পাসপোর্ট’, ‘বর্ডারে সংসার’। বইগুলির প্রকাশ। ২০১৮ তে মাসিক কৃত্তিবাস পুরস্কারের ‘দীপক মজুমদার সম্মাননা’, ২০২১-এ ‘সুধীর চক্রবর্তী স্মৃতি সাহিত্য পুরস্কার লাভ’ ২০২২-এ ক্যালকাটা রিসার্চ গ্রুপ থেকে ‘প্রদীপ কুমার বসু স্মৃতি সম্মান’ লাভ। ২০২৩-এ ‘লেবার ট্রেন’ বইটি ক্যালকাটা রিসার্চ গ্রুপ থেকে ইংরাজী ভাষায় প্রকাশ। ২০২৫-এ 'লেবারের বিদেশ যাত্রা' এবং ‘বর্ডারে সংসার’-এর ইংরাজি অনুবাদ 'Families on the border' প্রকাশ।
মঞ্জীরা সাহা
Author
Smarter, faster, on what matters.