

ভারত স্বাধীন হয় ১৯৪৭-এর ১৫ আগস্ট। তার মাস ছয়েক বাদে ১৯৪৮-এর গোড়ায় পশ্চিমবাংলার মুখ্যমন্ত্রী হন ডা. বিধানচন্দ্র রায়। ১৯২০, ৩০, ৪০-এর দশকের কলকাতা, বাংলায় এমনকি বাংলার বাইরেও ডাক্তার রায়ের খ্যাতি ছড়িয়ে পড়েছিল। স্বাধীনতার আগেই রাজনীতির আঙিনায় তিনি হয়ে উঠেছিলেন জনপ্রিয় নাম।
ভারতে স্বাধীনতা এসেছিল, একই সাথে ছিল দেশভাগের কঠিন বাস্তবতা। পূর্ব বাংলা, পূর্ব পাকিস্তান, এখন যা বাংলাদেশ, সেখান থেকে লক্ষ কোটি শরণার্থী পশ্চিমবাংলা তথা ভারতে আসতে থাকেন ৫০, ৬০-এর দশকে। পশ্চিমবাংলার অর্থনীতিতে তৈরী হল এক টালমাটাল অবস্থা। সেই অস্থির অনিশ্চিত সময়ে ডা. রায় ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের কাণ্ডারী। স্বাধীনোত্তর বাংলায় দুর্গাপুর, কল্যাণী, হরিণঘাটা দুধ প্রকল্প, কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, এ রকম বহু প্রকল্প ও প্রতিষ্ঠানের সফল কারিগর ডা. বিধানচন্দ্র রায়। একদিকে ধন্বন্তরী ডাক্তার, অন্যদিকে গণতান্ত্রিক মনের রাজনীতিবিদ এবং সফল মুখ্যমন্ত্রী ও বাংলায় অর্থনীতির কারিগর।
সাংবাদিক সুদেব রায়চৌধুরী ডা. রায়ের শাসনকালের শেষের কয়েক বছর প্রত্যক্ষ করেছেন আনন্দবাজার পত্রিকার রিপোর্টার হিসাবে। একই সাথে গবেষণা করেছেন ডা. রায়ের জীবন নিয়ে। পশ্চিমবাংলা তথা ভারতের এক বর্ণময় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে নিয়ে এই বইটি প্রত্যেক অনুসন্ধিৎসু পাঠককে ভাবাবে। আগামীতে বাংলার তথা ভারতের উন্নয়নের সঠিক পথটা খুঁজে পেতে সাহায্য করবে।
সুদেব রায়চৌধুরী
AuthorFollow us